Gallery

গজনি এবং মধুটিলা

7 Jul

কাজের চাপে অস্থির জীবন। একটু অবসর পেলেই পরিকল্পনা করতে থাকি কোথায় যাওয়া যায়। পরিকল্পনার হাতিয়ার গুগল এবং গুগল আর্থ। আমার এডভেঞ্চার পার্টনার মান্না কে জানালাম আমার পরিকল্পনা। গন্তব্য মধুটিলা এবং গজনী, এই দুটি যায়গাই শেরপুর এ, একদম ভারতের সীমানা ঘেঁষা। এখন সুধুই অপেক্ষার পালা একটি মোক্ষম সময়ের। অবশেষে আসে সেই সময়, ১৬ই ডিসেম্বর ২০১০ সাল। কোনভাবে অফিস ম্যনেজ করে ভোর ৫ টায় রওনা হয়ে যাই মান্নার বাসার উদ্দেশ্যে উত্তরার দিকে। আমি তখন পিলখানাতে ছিলাম। উত্তরা থেকে বাইকে তেল ভরে আমারা যাত্রা শুরু করি। কনকনে ঠাণ্ডার মধ্যে আমারা বেশ ভালই এগিয়ে যাচ্ছিলাম। প্রথমবারের মত আমাদের থামতে হয় টাঙ্গাইল এর কাছাকাছি একটি রেল ক্রসিংএ।

শীতের মদ্ধে বাইক চালানোর একটা মজা আছে। আমাদের প্রথম জাত্রা বিরতি।

শীতের মদ্ধে বাইক চালানোর একটা মজা আছে। আমাদের প্রথম জাত্রা বিরতি।

টাঙ্গাইল পার হয়ে আমরা প্রাতঃরাশ শেষ করে আবার যাত্রা শুরু করি। যমুনা সেতুর রাস্তা শুরু হওয়ার পরপরি আমারা ডানে মোড় নেই। এই রাস্তাটি ঘাটাইল ক্যান্টনমেন্ট হয়ে মধুপুর চলে গেছে। আমাদের উদ্দেশ্য মধুপুর গড় এর জঙ্গল দেখা। বেশকিছু দূর যাওয়ার পরে হটাত করেই রাস্তার দুপাশে বন শুরু হয়ে যায়, এবং হটাত করেই বন শেষ হয়ে যায়। মনটা একটু খারাপ হল তারাতারি বনটা শেষ হয়ে যাওয়ায়। বনের ভেতর দিয়ে রাস্তাটা অসাধারন। মন চাচ্ছিল রাস্তাটা যেন শেষ না হয়।

 

বনের মধ্য দিয়ে আঁকাবাঁকা অসাধারন একটা রাস্তা।

বনের মধ্য দিয়ে আঁকাবাঁকা অসাধারন একটা রাস্তা।

বনের শেষে আমারা একটা চা বিরতি নিয়ে আবার যাত্রা শুরু করি। গন্তব্য জামালপুর। জামালপুর যাওয়ার রাস্তাটা নিয়ে আমি একটু সন্দিহান ছিলাম, কারন গুগল আর্থ এ দেখেছিলাম একটা রাস্তা জামালপুর চলে গেছে। যখন আমারা সেই রাস্তায় প্রবেশ করলাম, রাস্তার অবস্থা দেখে আমি কিছুটা ভয় পেলাম। রাস্তাটা একদম সরু, ছোট বড় খানাখন্দে ভরা, রাস্তার উপর অনেক জায়গায় খড় বিছান ফলে গর্তগুলো বুঝা জাচ্ছিল না, প্রচুর বাঁক ছিল- ফলে গতি উঠান যাচ্ছিল না, এইদিকে হাতে সময়ও কম। ভাঙাচোরা রাস্তা দিয়ে যেতে যেতে একসময় আমরা জামালপুর পৌঁছে যাই। এই রাস্তার বেশ কিছুটা অংশ একটা বড় নদীর পাশ দিয়ে চলেগেছে। সেই অংশটা অসধারন, এখনও আমার মনে আছে সেই অসধারন দৃশ্যটি। সময়ের অভাবে কোন ছবি তোলা হয়ে উঠেনি। বাইক চালতে চালাতে যতটুকু দেখা যায়, মনের মধ্যে সেটা রেখে দিয়েছি। সময় হলে আবার যাব এবং অনেক ছবি তুলব।

জামালপুর থেকে শেরপুর যাওয়ার পথে একটা বড় ব্রিজ আছে, আমারা সে ব্রিজ এর উপর একটা ছবি বিরতি নেই। এরপর আবার যাত্রা শুরু শেরপুর এর উদ্দেশ্যে।

জামালপুর ব্রিজ থেকে তোলা।

জামালপুর ব্রিজ থেকে তোলা।

 

যাওয়ার পথে একটি বাস দেখতে পাই রাস্তার পাশে পরে থাকতে। ছবি দেখেই বুঝা যাচ্ছে কি হয়েছিল।

হতভাগা বাস।

হতভাগা বাস।

শেরপুর থেকে আমরা সরাসরি চলে যাই গজনীর উদ্দেশ্যে। এই রাস্তাটি একটি স্থানে এসে দুইদিকে চলেগেছে। বামের রাস্তাটা চলে গেছে গজনীর দিকে আর ডানের রাস্তাটা চলে গেছে মধুটিলার দিকে। আমরা বামের রাস্তা ধরে গজনীর দিকে যাত্রা করি। গ্রামের ভিতর দিয়ে সরু রাস্তা ধরে কিছুদুর যাওয়ার পরেই জঙ্গল শুরু হয়ে যায়। এই জায়গাটা একদম ভারতের সীমানা ঘেঁষা। জঙ্গলের ভিতর দিয়ে যেতে যেতে পৌঁছে যাই গজনীতে।

গজনি যাওয়ার পথ।

গজনি যাওয়ার পথ।

গজনী মূলত একটি পিকনিক স্পট। বাইক নির্দিষ্ট স্থানে পার্ক করে আমরা ভিতরে প্রবেশ করি। এখানে ঘুরে দেখার মত অনেক কিছু রয়েছে। মাঠের মাঝখানে বিশাল এক বট গাছ আছে। সাবধান!! গাছটি অনেক পুরনো, এর ডাল ভেঙ্গে পরতে পারে যেকোন সময়ে। সুতরাং বেশি কাছে যাওয়ার দরকার নাই।

বিপদজনক বটবৃক্ষ।

বিপদজনক বটবৃক্ষ।

এইখানে সুন্দর একটা লেক আছে। টলটলে স্বচ্ছ লেকের পানি। লেকের পাশে ছোট টিলা আছে সাথে অনেক গাছপালা। ছোটখাট ট্র্যাকিং করা যায়, এটাও আমরা সময় এর অভাবে করতে পারিনি।

ছবির মত লেক।

ছবির মত লেক।

এখানে প্যডেল বোট ভাড়া পাওয়া যায়। বোট ভাড়া করে লেকের মাঝখানে দ্বীপের মতন একটা যায়গা ঘুরে আসা যায়।

A journey by Paddle Boat

A journey by Paddle Boat

লেকের পাশে চোখে পড়বে আদ্ভুত এক মারমেইড। অদ্ভুত বলার কারণটা অবশ্য সামনাসামনি না দেখলে বুঝা যাবে না।

মারমেইড।

মারমেইড।

এখানে আছে পাতালপুরী গুহা। টিলার ভিতর দিয়ে একপাশ থেকে আর এক পাশে জাওয়া যায়। ভিতরে বেশ অন্ধকার। টিকিট কেটে আমরা ভিতরে প্রবেশ করি, অন্ধকারটা ভালই উপভোগ করেছিলাম।

গুহার প্রবেশ পথ।

গুহার প্রবেশ পথ।

অন্ধকার গুহার ভেতর।

অন্ধকার গুহার ভেতর।

গুহার নির্গমন পথ। হা হা হা।

গুহার নির্গমন পথ। হা হা হা।

আশেপাশের এলাকাটা ঘুরেঘুরে দেখালাম আমরা। গ্রামীণ পরিবেশে বাইক চালিয়ে যেতে ভালই লাগছিল।

সুন্দর আমার দেশ।

সুন্দর আমার দেশ।

আমরা ছবির ওই টাওয়ার দিকে যাচ্ছি।

আমরা ছবির ওই টাওয়ার দিকে যাচ্ছি।

কিছুটা অফরোড বাইক চালিয়ে আমরা একটা জঙ্গল এর মধ্যে চলে যাই। সামনে ঘন জঙ্গল শুরু হয়ে যাওয়ায় ফেরত চলে আসি।

জঙ্গলে আমরা।

জঙ্গলে আমরা।

কিছুটা দূরে একটা টিলার উপর একটা ওয়াচ টাওয়ার আছে। ওয়াচ টাওয়ার এর উপর থেকে চারিদিকে দৃশ্য বেশ উপভোগ্য।

ওয়াচ টাওয়ার।

ওয়াচ টাওয়ার।

এখানে টাওয়ার নিচে কিছু খাবার দোকান আছে, সেখান থেকে আমরা হালকা পেট পূজা করে রওয়ানা দিলাম মধুটিলার উদ্দেশ্য। আমি গুগল আর্থ থেকে যে পথ নির্ধারণ করেছিলাম, সেই পথে একটা নদী আছে এবং সেই নদীটির উপর একটা ব্রিজ আছে। তারপরেও নিশ্চিত হওয়ার জন্য পথে একজন কে জিজ্ঞাস করলাম রাস্তার ব্যপারে। তিনি বললেন খুবি সুন্দর রাস্তা, আমরা তখনও বুঝতে পারিনি কতটা ভয়ানক রসিকতা করেছিল লোকটা আমাদের সাথে।

সেই অপরিচিতের কথায় ভরসা করে আমারা চললাম অজানা পথে। শুরুর দিকে ভালই ছিল রাস্তা, কিছুদূর যাওয়ার পরে যা শুরু হল সেটাকে আর যাই হোক রাস্তা বলা যায় না।

এটা একটা রাস্তা।

এটা একটা রাস্তা?

একটা রাস্তা আছে, কিন্তু সে রাস্তার উপর দিয়ে ট্রাক্টর এমন অত্যাচার করেছে যে সেটাকে আর রাস্তা বলা যায় না।

একটু মসৃণ রাস্তার জন্য আমাদের কখনও মাঝখান দিয়ে কখনও রাস্তার পাশ দিয়ে যেতে হচ্ছিল।

একটু মসৃণ রাস্তার জন্য আমাদের কখনও মাঝখান দিয়ে কখনও রাস্তার পাশ দিয়ে যেতে হচ্ছিল।

মাঝে মাঝে রাস্তা এতটাই খারাপ ছিল যে আমার বন্ধুকে নামিয়ে দিয়ে আমাকে একা চালাতে হয়েছে। এরকম অফ রোডে চলতে চলতে একসময় সেই ব্রিজ এর কাছে আসলাম। গুগল আর্থে ব্রিজ দেখেছিলাম, কিন্তু ব্রিজ এর দুইপাশে যে সংযোগ সড়ক নাই সেটা আর গুগল আর্থে দেখে বুঝতে পারিনি, বুঝতে পারলাম সরেজমিনে এসে। সেতুটি পারাপারের জন্য পায়ে হেঁটে চলার মত চিকন একটা মাটির রাস্তা আছে। আমার বন্ধুকে নামিয়ে দিয়ে আমি কোনমতে সেতুটি পার হলাম।

বেশ নতুন ঝা চকচকে সেতু।

বেশ নতুন ঝা চকচকে সেতু।

সেতুটার মতই যদি এর দুপাশের রাস্তা গুলা হত।

সেতুটার মতই যদি এর দুপাশের রাস্তা গুলা হত।

সেতু পার হওয়ার পর বস্তুত আমরা কোন রাস্তা পাইনি। মধুটিলা পর্যন্ত আমারা গিয়েছি কখনো জঙ্গলের ভিতর দিয়ে বা কখনো খেতের উপর দিয়ে। এই রাস্তাটা পুরটাই একদম ভারতের সীমানা ঘেঁষা। তাই মাঝে মাঝে ভয়ও হচ্ছিল বি এস এফ এর। মাঝে মাঝে চোখে পড়ছিল শিয়ালের গর্ত, এই বুঝি গর্ত থেকে একটা শিয়াল বের হয়ে আসবে।

রাস্তার পাশেই শেয়ালের গর্ত।

রাস্তার পাশেই শেয়ালের গর্ত।

অবশেষে আমরা মধুটিলা পৌঁছে যাই। টিকিট কেটে মটরসাইকেল নিয়েই ভিতরে প্রবেশ করি। আঁকাবাঁকা সিমেন্ট বাঁধানো রাস্তা পার হয়ে আমারা একটা পাহাড়ের সামনে থামি, এরপর থেকে পায়ে হাঁটা পথ।

মধুটিলার পায়ে হাটার পথ শুরু।

মধুটিলার পায়ে হাটার পথ শুরু।

পুরোটা এলাকা ঘুরে দেখার জন্য পায়ে হাঁটার পথ করে দেয়া আছে এখানে। কখনও সিঁড়ি কখনও পাহাড়ের ঢাল বেয়ে আমরা পুরো এলাকাটা ঘুরে দেখলাম। ঘন জঙ্গলের মধ্য দিয়ে হেঁটে যেতে বেশ ভালই লাগছিল, কিন্তু মোটরসাইকেলটা মিস করছিলাম।

বেশ খাড়া চড়াই পার হতে হয়েছিল আমাদের।

বেশ খাড়া চড়াই পার হতে হয়েছিল আমাদের।

এরকম সিঁড়ি করে দেয়া আছে পুরটা পার্কেই।

এরকম সিঁড়ি করে দেয়া আছে পুরটা পার্কেই।

এইখানে বেশকিছু সুন্দর জলাধার আছে। বিভিন্ন স্থানে বসে বিশ্রাম নেওয়ার জন্য বেঞ্চ তৈরি করা আছে, আমরা চড়াই গুলা পেরিয়ে এই সব বেঞ্চ গুলাতে বসে বিশ্রাম নিয়েছি। অনেকটা পরিকল্পনা করেই মনে হয় বেঞ্চ গুলা বানানো, যেখানে একটু বিশ্রাম দরকার সেখানেই আছে বেঞ্চ।

লেক, লেকেচে পাড়ে বেঞ্চে বসে আমারা।

লেক, লেকেচে পাড়ে বেঞ্চে বসে আমারা।

মধুটিলাতেও একটা সুউচ্চ টাওয়ার আছে। এই টাওয়ার থেকে চারপাশের পুরো এলাকাটা দেখা যায়। সামনেই ভারত এবং পাহাড়ি এলাকা শুরু। আসলে বাংলাদেশ এর সীমানা রেখাটা টানা হয়েছে ঠিক যেখান থেকে সমতল ভূমি শুরু হয়েছে। এই টাওয়ার উপর থেকে বি এস এফ এর ক্যাম্প দেখালাম ১০ টাকা দিয়ে বাইনোকুলার ভাড়া নিয়ে।

ওয়াচ টাওয়ার থেকে তোলা ছবি।

ওয়াচ টাওয়ার থেকে তোলা ছবি।

দূরের পাহারটিই ভারতের।

দূরের পাহারটিই ভারতের।

মধুটিলায় আসার পর আমার মনে হচ্ছিল আমি পার্বত্য চট্রগ্রাম এর কোন এক পাহাড়ি যায়গায় চলে এসেছি। কাছেই বেশ বড় বড় পাহাড় দেখা যাচ্ছিল, যদিও সেগুলা ভারতের সীমানায়। এখানে একটা রেস্ট হাউস আছে রাত্রিযাপন এর জন্য।

এখন ফেরার পালা। আগে থেকেই আমাদের প্লান ছিলা আমরা অন্য রাস্তায় ফিরে যাব। পরিকল্পনা মোতাবেক আমরা মধুটিলা থেকে শেরপুর যাই সেখান থেকে ফুলপুর, নকলা হয়ে ময়মনসিংহ তারপর ময়মনসিংহ থেকে ঢাকা। ফুল্পুর-নকলা রাস্তাটা সম্পর্কে একটু না বলে পারছি না। এক কথায় অসধারন এক রাস্তা। এই রাস্তার একটা অংশ একটা বিলের মধ্য দিয়ে চলে গেছে, অসাধারন ছিল সেই জায়গাটা। আগেই বলেছি আমাদের সময় ছিলনা, তাই সে যায়গার ছবি তুলতে পারিনি। সন্ধার আগে আমরা একটা যায়গায় একটা বিরতি নেই চা পানের জন্য। সেখানে থেকে ফুলপুর-নকলা রাস্তার একটা ছবি নেয়াওয়ার সুযোগ হয় আমার।

ফুলপুর - নকলা মহাসড়ক।

ফুলপুর – নকলা মহাসড়ক।

এরপর আমরা সরাসরি ময়মনসিংহ চলে যাই। সেখানে বাইকে তেল ভরে আমরা ঢাকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করি। পথিমধ্যে আরও কিছু বিরতি নিয়ে আল্লাহ্‌র রহমতে আমরা রাত ৯ টা ৩০ মিনিটের দিকে উত্তরা পৌঁছে যাই।

টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া ভ্রমণের আগে এটাই ছিল আমার একদিনে সর্বচ্চো ভ্রমন। এই যাত্রায় আমি ৪৮০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়েছিলাম। যাত্রা শেষে আমার বন্ধুর জন্য খুব মায়া হচ্ছিল, বেচারা পুরোটা পথ আমার ফেযারের পিছনের ছোট্ট সিটটাতে বসে ছিল। বলাই বাহুল্য প্রথম দিকের ফেযারের পিছনের সিটটা খুবি ছোট এবং শক্ত ছিল।

এই ট্যুরটা সত্যিকার অর্থে অসধারন ছিল। কারণ অনেক পথই আমাদের অচেনা ছিল আর অফ রোড এর কথা নাই বললাম। অচেনা পথে বাইক চালানোর মত রোমাঞ্চকর অনুভূতি কমই আছে। সময় হলে ইন্নশাআল্লাহ আবার যাব একই পথে।

 

Advertisements

2 Responses to “গজনি এবং মধুটিলা”

  1. Hassan Tanvir July 7, 2014 at 14:37 #

    Nice trip.বাংলাতে শুরু করলেন দেখে ভালো লাগলো। ফুল্পুর, নকলা – রোড টা কতটুকু?

  2. মোজাম্মেল November 20, 2014 at 00:34 #

    বই পড়ার মত ভাল অভ্যাসটি আমার কখনই ছিল না, তাই লিখার গুণগত মান সম্পর্কে কিছুই বলতে পারব না। কিন্তু, ভ্রমণের ডিটেইল এত সুন্দরভাবে এসেছে যে, যে কোনো নতুন ভ্রমণকারীর জন্য যথেষ্ট রকমের গাইডলাইন আছে। ভাল লাগলো বেশ… 🙂

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: